Slider

Wednesday, March 30, 2016

Health Tips (জ্বর হলে এবং প্রতিরাধে কি কি করনীয়)



Health Tips (জ্বর হলে এবং প্রতিরাধে কি কি করনীয়)

   

গরম চলে এসেছে সেই সাথে নানা অসুখ-বিসুখও কয়েকদিন ধরে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে বিশেষ করে বাচ্চারা জ্বর খুবই প্রচলিত একটি অসুখ এটি বেশির ভাগ হঠাৎ করেই আসে জ্বরকে আমরা খুব সাধারণ অসুখ ভাবলেও এটি মোটেই সেরকম নয়কারণ অনেক বড় অসুখের শুরু কিন্তু অনেকেক সময় জ্বর দিয়ে হয় তাই সময় থাকতেই আমাদের সকলের সচেতন হওয়া উচিত প্রথমত আমরা জেনে নেই জ্বর কেন আসে



. অপরিমিত ঘুম
. কম পানি পান করা
. বিশুদ্ধ পানি পান না করা
. যেকোনো কাজ করার পর হাত না ধোয়া
. কি খাচ্ছি সেটার প্রতি খেয়াল না করা
. ঘামে ভিজে থাকা জামাকাপড় পরিধান করে থাকা
. শারীরিক বিশ্রাম না করা
. বাইরে থেকে এসেই গোসল করা
. অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করা
১০. গোসল করেই শুয়ে পড়া
১১. যে কোনও ইনফেকশন বিশেষত পুঁজ তৈরিকারক ইনফেকশন যেমন ফোঁড়া, কাটাপোড়া,চুলকানি ইতাদি।
১২.মশারি খাটিয়ে না ঘুমানো
১৩.বাইরের খোলা খাবার খাওয়া
১৪. অতিরিক্ত ওষুধ সেবন করা
১৫. অতি বৃষ্টিতে ভেজা
১৬. বাড়িঘর অপরিষ্কার রাখা
১৭. চুল না শুকিয়ে ঘুমিয়ে পড়া ইত্যাদি

এবার জেনে নেই জ্বর হলে কি কি করণীয়ঃ

. জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায় সেজন্য একটু পর পর রুমাল ভিজিয়ে শরীর স্পঞ্জিং করতে হবে আবার আরেকটি শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে
. জ্বর হলেই কাঁথা-কম্বল গায়ে দিতে হবে না ফ্যান অল্প গতিতে রেখে জানালা-দরজা খুলে দিয়ে বাইরের বাতাস নিতে হবে।
. ইচ্ছে করলে মাথায় পানিও দিতে পারেন কিন্তু চুল খুব ভালো করে মুছে নিতে হবে। 
. সবসময় শুয়ে না থেকে বসে থাকুন পারলে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।
. চুপ না থেকে পরিবারের সবার সাথে কথা বলুন।
. বিছানা ও ঘর পরিষ্কার রাখুন।
. জ্বর কমার পর কাপড় বদলিয়ে নিন এবং পাতলা কাপড় পরিধান করুন।
. রাত না জেগে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।
.স্বাভাবিক জ্বরে নাপা অথবা প্যারাসিটামল খান।
১০. এক ঘণ্টা পরপর জ্বর মাপতে হবে।
১১. এসময় সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম নিতে হবে।
১২. একশো ডিগ্রীর উপরে জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

জ্বর হলে কি খাবেনঃ

জ্বর মানেই প্রথমত খাওয়ায় অরুচি। অনেক পছন্দের খাবারও জ্বরের সময় পানসে লাগে। জ্বর বেশি হলে হজম ক্ষমতা কমে যায় ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য এসময় সঠিক খাদ্যতালিকা মেনে চলা উচিত জ্বরের সময় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন সি ও প্রচুর পানি ও পানিজাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। আসুন জেনে নেই  এসময় কি কি খাওয়া উচিত
১. এসময় মুখ শুকিয়ে যায় তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
২.পানির পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফলের জণসও খেতে পারেন। এসময় লেবু কমলা ও মালটার জুস খেলে দ্রুত মুখে রুচি ফিরে আসে।
৩.শরীরের শক্তি বাড়ানো ও উদ্যম ফিরিয়ে আনতে দুধের জুড়ি নেই। দুধে মধু মিশিয়ে খেলে কাশি ও মাথাব্যথায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।
৪. জ্বর হলে ভাত না খেয়ে লাল আটার রুটি খেতে পারেন।
৫.এসময় পানি জাতীয় সবজি যেমন- মিষ্টি কুমড়া,লাউ,টমেটো,বাঁধাকপি, গাজর ও শসা। এসব সবজি শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
৬. আদা,লবঙ্গ মিশিয়ে চা পান করুন।যদি কাশি থাকে তাহলে তুলসী পাতা মিশিয়ে নিতে পারেন।
৭.বেশিরভাগ সময় ঠাণ্ডা থেকেই জ্বর হয়। জ্বরে আরাম পেতে দুবেলা টমেটো বা গাজরের স্যুপ খেতে পারেন অথবা বাজারে যেসব স্যুপ পাওয়া যায় সেগুলোও খেতে পারেন। স্যুপ শরীরের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৮. কিছুক্ষণ পরপর ফল খান যেমন – আপেল,আঙ্গুর,তরমুজ ইতাদি।
৯. পারলে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি খান।

জ্বর প্রতিরোধে ও গরমে সুস্থ থাকতে যা করণীয়ঃ

অসুখ-বিসুখ জানিয়ে আসে না কিন্তু সাবধানতা অবলম্বন করলে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব হতে পারে অনেকেই অসুখে বিচলিত হয়ে যান বিশেষ করে বাচ্চার বাবা- মা খুব অস্থির হয়ে পড়েন তাই চিন্তা না করে  এই গরমে সুস্থ থাকতে নিচের এই নিয়মাবলী গুলো মেনে চলুন আসুন জেনে নেই কি কি করনীয়
১.রোদ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে ছাতা ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই কালো রঙের ছাতা নয়।
২.সব সময় সুতির কাপড় ব্যবহার করুন।
৩.বাইরে যাওয়ার আগে ও বাইরে থেকে এসে সাবান দিয়ে ভালোভাবে গোসল করুন।
৪.গরম থেকে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অধিক গতিতে  ফ্যানের নিচে দাঁড়াবেন না কিংবা গোসল করবেন না।
৫.সুযোগ পেলেই একটু পানি খেয়ে নিন। ঘাম বেশি হলে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ও এক চিমটি লবন মিশিয়ে সেই পানিটা খেয়ে নিন।
৬.ঘামে ভেজা কাপড় দ্রুত পরিবর্তন করে  নিন।
৭.এ সময় কোনো অবস্থায়ই বাসি খাবার খাবেন না।
৮.ঘামাচি হলে চুলকাবেন না।
৯.ফেরিওয়ালাদের বিক্রি করা শরবত কিংবা আখের রস খাবেন না।
১০.বাইরে থেকে এসে ফ্রিজের পানি বর্জন করুন
১১.বাচ্চাদের বেশিক্ষণ পানি নিয়ে খেলতে দিবেন না।
১২. বাইরের খাবার থেকে বাচ্চাদের বিরত রাখুন।
১৩.সকলেই বিশেষ করে বাচ্চাদের জীবাণুমুক্ত রাখুন

বিঃ দ্রঃ বিভিন্ন পত্রিকা থেকে সংগৃহীত  

0 comments :

Post a Comment